Search

Wednesday, October 9, 2019

ইকোটেক নগর কৃষি | Rooftop Garden


নগরের কংক্রিটের এর দেয়ালে আবদ্ধ বিষাক্ত ধোঁয়া ও যান্ত্রিক জীবনে অতিষ্ঠ নগরবাসী বিশুদ্ধ নিঃশ্বাস এবং কিছুটা সস্থির আশায় নিজ বারান্দা, আঙিনা কিংবা ছাদে একটি সবুজ বাগান করার সবুজ স্বপ্ন দেখে। কিন্তু শহরের মাঝে বাগান করা অনেক দুষ্কর ও কঠিন কাজ, যার ফলে ইচ্ছা থাকলেও এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়ে ওঠে না। অনেক নিজে করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যা ও বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। কেউ করতে যেয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাচ্ছেন না, কেউ প্রয়োজনীয় সার, বীজ পাচ্ছেন না। আবার অনেকেই  প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাবে করতে পারছেন না। অনেকে আবার নানা বাধাবিপত্তির মধ্যে করলেও আশানুরূপ ফলন পান না। এতে করে নগরের মানুষের কৃষির আকাঙ্খা তাদের মনের ভেতর সুপ্ত থেকে যাচ্ছে। নগরবাসীর এই কৃষি আকাঙ্ক্ষা ও সবুজ স্বপ্ন পূরণে ইকোটেক অর্গানিকগার্ডেন লিমিটেড সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্ভাদিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এক্যুয়াফনিক্স, কৃষিকে করেছে অনেক সহজ ও অধিক ফলনশীল যা নগরের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য এবং ছাদ বাগানের মাধ্যমে নিশ্চিত করছে সবুজ নগরী।





নগরবাসীর কৃষি আকাঙ্খা পূরণ ও সবুজ স্বপ্নের প্রয়োজনীয় সেবা, পরামর্শ প্রদান ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষে উপযুক্ত মাটি, বীজ, চারা, টব, কৃষি উপকরণ, সঠিক পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা সহ নগর কৃষি ও কৃষি ভিত্তিক সকল সেবা ও পরামর্শ ইকোটেক অর্গানিকগার্ডেন লিমিটেড সুদক্ষ জনবল ও কৃষিবিদ দ্বারা সেবা প্রদান ও বাগানের স্বপ্ন  বাস্তবায়ন করে দেয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।



এই কনক্রিটের কৃত্তিম জঙ্গলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডে পরিবেষ্টিত দূষিত শহর কে আমাদের আগামীর প্রজন্মের জন্য সবুজ শ্যামল রূপে সুস্থ ভাবে সবুজের স্পর্শে বাঁচার পরিবেশ তৈরি করা এবং নিরাপদ বিষ মুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।


এক্যুয়াফনিক্স কি ?


নগর কৃষি ভিত্তিক নিজেদের উদ্ভাবিত আধুনিক প্রযুক্তির এই এক্যুয়াফনিক্স পদ্ধতিতে মাটির কোন স্পর্শ ছাড়াই উৎপাদন হয় শাক-সবজি এবং মাছ। রাসায়নিক সার ও মাটি বিহীন এই ছাদকৃষিতে একই সাথে চাষ হয় মাছ আর সেই মাছের পানি দিয়েই চাষ হয় শাক-সবজি। যা শতভাগ পুষ্টিকর ও অর্গানিক।



       এক্যুয়াফনিক্স পদ্ধতির মাধ্যমে মাছের মল পানিতে মিশে পাইপের মাধ্যমে গাছের গোড়ায় যায়। 
       গাছ সেখান থেকে অ্যামোনিয়ার মাধ্যমে প্রচুর খাদ্য তৈরি করে। যার ফলশ্রুতিতে ফলন খুব দ্রুত বাড়ে এবং স্বাদ ও গুণে ভরপুর থাকেএছাড়াও উৎপাদন হয় সব মৌসুমী শাক-সবজি। এতে করে মাছের পানির কোন অপচয় হয় না।

     ছাদ থাকে পরিষ্কার ও কাঁদামাটি মুক্ত। ছাদ থেকে সবজির বেডগুলো স্টিলের ফ্রেমের উপরে থাকায় ছাদের কোন ধরনের ক্ষতি হয় না। ছাদ থাকে একদম নিরাপদ।




এক্যুয়াফনিক্স এর বৈশিষ্ট্যঃ

•      মাটি থেকে (ফ্লোর থেকে) ২.৫-৩ ফিট উপরে স্টিলফ্রেম এর মধ্যে সবজি বেড তৈরি করা হয় ।

•      মাটি থেকে (ফ্লোর থেকে) ২.৫-৩ ফিট উপরে স্টিলফ্রেম এর মাঝে ড্রাম ব্যবহার করে প্রতিটি বেড তৈরি করা হয় যাতে মাটির পরিবর্তে ইটের ঝামা ও খোয়া ব্যবহার করা হয় ফলে কাদামাটি দিয়ে ছাদ নোংরা হয় না বা অপরিচ্ছন্ন হওয়ার কোন সুযোগ নেই

•      মাছ চাষ ও রিসারকুলেটিং সিস্টেমের জন্য প্রায় ৮০০-১০০০ লিটার ধারণক্ষমতা ২ অথবা ৩ টি পানির ট্যাঙ্ক ব্যাবহৃত হয়।

•     উন্নত মানের পিভিসি পাইপ, ড্রাম (বেড), পানির ট্যাংক ব্যবহার এর মাধমে অটোমেটিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার ফলে ছাদে পানির কোন অপচয় ও লিকেজ হয় না তাই ছাদ থাকে শুষ্ক

•      রিসারকুলেটিং সিস্টেম এর মাধমে মাছের পরিশোধিত পানি পুর্ণবার ব্যবহারের ফলে পানি অপচয়, খরচ ও পরিমাণ অনেক কম হয়।

•     মাছের বর্জমিশ্রিত অ্যামোনিয়া গ্যাস যুক্ত পানি রিসারকুলেশন সিস্টেম এর মাধমে মাছের বেডে সরবরাহ করা হয় ফলে গাছের পুষ্টিগুণ ও মান টিক থাকে।










বাংলাদেশে মাল্টা চাষের সম্ভাবনা

মাল্টার পরিচিতি:

মাল্টা একটি কমলা জাতীয় ফল। ভিয়েতনাম, উত্তর পশ্চিম ভারত দক্ষিণ চীন মাল্টার আদি উৎপত্তি স্থল তবে এই ফলটি বিশ্বের উষ্ণমণ্ডলীয় এলাকায় বেশী চাষ হচ্ছে বিশ্বের সর্বমোট উৎপাদিত সাইট্রাস ফসলের দুই তৃতীয়াংশ হলো মাল্টা  সারা পৃথিবীতে মাল্টার চাহিদা ব্যাপক, অত্যন্ত সুস্বাদু এই ফলটির জনপ্রিয়তা অনেক বেশিবাংলাদেশেও এটি বেশ জনপ্রিয় ফল, তবে আমাদের দেশে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন খুবই কম; বেশির ভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়


বিশ্বব্যাপী চাহিদা এবং উৎপাদন:

তবে চাহিদা অনুযায়ী মাল্টার উৎপাদন খুবই সীমিত। বাংলাদেশে মাল্টার চাহিদার প্রায় সবটুকুই চীন, ভারত সহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। সে সূত্রেই বলা যায় বাংলাদেশে মাল্টার চাহিদা ব্যাপক। তাই বাংলাদেশে মাল্টা চাষ অত্যন্ত লাভজনক এবং বাণিজ্যিকভাবে সম্ভাবনাময়।

বারী-১ জাতের মাল্টা:

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট "বারী মাল্টা- " নামে ২০০৩ সালে মাল্টার একটি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে, যে জাতটির পাকা ফল দেখতে সবুজ খেতে সুস্বাদু বারী মাল্টা নিয়মিত ফল দানকারী উচ্চ ফলনশীল জাত গাছ খাটো, ছড়ানো ঝোপালো মধ্য ফাল্গুন থেকে মধ্য চৈত্র মাস পর্যন্ত গাছে ফুল আসে এবং কার্তিক মাসে ফল আহরনের উপযোগী হয় ফল গোলাকার মাঝারি (১৫০ গ্রাম) আকৃতির বাংলাদেশে বারি-১ জাতের মাল্টার উৎপাদন আশাব্যাঞ্জক। পূর্ণবয়স্ক অর্থাৎ ৩-৪ বছর বয়সী গাছে ৩০০-৪০০টি ফল ধরে। হেক্টর প্রতি ফলন ২০টন।

বারী-১ মাল্টার গুনাগুন এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা:

বিদেশ থেকে আমদানিকৃত মাল্টায় মিষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক কম, যা মিষ্টি পরিমাপক TSS অনুযায়ী মাত্র ৮-৯ শতাংশ। অন্যদিকে বারি-১ জাতের মিষ্টতা প্রায় ১৪-১৬ শতাংশ। সে কারনে আমাদের দেশে উৎপাদিত এই মাল্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমান বাজারদরে প্রতি কেজি বারি-১ জাতের মাল্টার পাইকারি মূল্য ১২০-১৩০ টাকা, যা অন্যান্য মাল্টার চেয়ে বেশি লাভজনক।

ইকোটেকের মাল্টা প্রকল্প:

আম বাগান নিয়ে অভিনব প্রকল্প ব্যাপক সফলতার পর ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেন লিঃ এবার গড়ে তুলেছে মাল্টা  বাগানঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিস্তীর্ণ জমিতে আম বাগান গড়ে তুলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে জাহিদ চাকলাদারের এই প্রতিষ্ঠান। সময় মত বাগানের জমি হস্তান্তর, সঠিক পরিচর্যা আন্তরিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে সর্বোচ্চ গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনের পর আমের পাশাপাশি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় মাল্টা প্রকল্পও ইতিমধ্যেই গ্রাহকগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে

যেহেতু সাইট্রাস জাতীয় ফল হিসেবে মাল্টা সাধারণত উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে চাষ হয়ে থাকে এবং এই ফল চাষের জন্য বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম সেহেতু বাংলাদেশেও এই ফল চাষের জন্য উপযোগী তবে দেশের ঠাকুরগাঁও জেলার মাটি বেলে-দোআঁশ এবং উঁচু , যেখানে বৃষ্টির পানি জমে না, যা এই ফল চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত এছাড়াও এই জেলার জমির প্রাপ্যতা বেশি, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, স্থানীয় মানুষজন অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ, রাজনৈতিক পরিবেশ ভাল এসব কারণ বিবেচনা করেই আমরা মাল্টা চাষের জন্য ঠাকুরগাঁও জেলাকে বেছে নিয়েছি



মাল্টা প্রকল্প সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত বিবরন, প্যারা:

ঠাকুরগাঁও জেলায় আমরা ইতিমধ্যেই মাল্টা বাগান তৈরি করেছি। মাল্টা বাগানে প্রতি ৫ শতাংশে একটি ইউনিট হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

আপনি পাচ্ছেন নিজের জমিসহ রেডিমেড মাল্টা বাগান। আপনার বাগান রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিচ্ছি আমরাইরেজিস্ট্রেশন খরচ আমরাই বহন করবো। বুকিং এর দ্বিতীয় বছর থেকেই ফল প্রাপ্তির সুযোগ। ৫-৬ বছরের মধ্যেই বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত আসবে। আপনি পাচ্ছেন ফল সংগ্রহের পর সামান্য খরচে ঢাকা থেকে গ্রহণ করার সুযোগ। আমাদের আয়োজনে একবার উন্নত ব্যবস্থাপনায় বাগান ভ্রমণ এবং উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্য দেখার সুযোগ। আপনার প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফল বিক্রির ব্যবস্থা আমরাই করে দিচ্ছি।



বাগান এবং গাছের লে-আউট:

আমরা বাগান গড়তে গিয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং অভিনব এক পদ্ধতি গ্রহণ করেছি। একটি ৫ শতক বাগানে ১৫টি মাল্টা গাছের সমন্বয়ে একেকটি ইউনিট গড়ে তুলেছি আমরা।




একটি বাগান হতে সম্ভাব্য আয়:

বাংলাদেশে চাষ হওয়া ৪ বছর বয়সী একেকটি পূর্ণবয়স্ক বারি-১ জাতের মাল্টা গাছ হতে বছরে প্রায় ৮ হাজার টাকার মাল্টা উৎপাদন হয়ে থাকে। সেই হিসেবে ১৫টি গাছের একটি পূর্ণবয়স্ক মাল্টা বাগান হতে বছরে প্রায়  ১,২০,০০০/- টাকার মাল্টা উৎপাদিত হয়ে থাকে। তাই আমরা বিশ্বাস করি বছরে গড়ে একটি বাগান হতে প্রায় ১,০০,০০০/- টাকা আয় হতে পারে। যা আপনার বিনিয়োগের তুলনায় অনেক বেশি।




আমরা একেকটি মাল্টা বাগানের নগদ মূল্য নির্ধারণ করেছি ৩,০০,০০০ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন মেয়াদে কিস্তির সুবিধাও রয়েছে...